1. admin@sahittyadiganta.com : সাহিত্য দিগন্ত ডেস্ক : সাহিত্য দিগন্ত ডেস্ক
  2. editor.sahittodigonto@gmail.com : সম্পাদক : জায়েদ হোসাইন লাকী : সম্পাদক : জায়েদ হোসাইন লাকী
বাঙ্গালীর কণ্ঠ সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪ পাচ্ছেন কবি, সম্পাদক সৈয়দ এরশাদুল হক মিলন - সাহিত্য দিগন্ত পত্রিকা
বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ১০:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কবি শাহীন রেজার জন্মদিন পালিত বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করল ADAMP ঢাকা সাহিত্য পরিষদ-এর আজীবন সদস্য হলেন পশ্চিমবঙ্গের খ্যাতিমান সমাজসেবক অনির্বাণ সামন্ত এনহেদুয়ানা : পৃথিবীর প্রথম নারী কবি। বাঙ্গালীর কণ্ঠ সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪ পাচ্ছেন কবি, সম্পাদক সৈয়দ এরশাদুল হক মিলন মানুষের জন্য লিখে যেতে চাই -কবি দেলোয়ার হোছাইন এক ৯ নয় ১’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। বাংলা একাডেমি পুরস্কার ফেরত দিলেন কথাসাহিত্যিক জাকির তালুকদার শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ালো ADAMP পরিবার বাংলাদেশের পত্র-পত্রিকায় ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ও মুজিবনগর সরকারঃ প্রাসঙ্গিক ইতিহাস অনুসন্ধান। ড. মহীতোষ গায়েন।

বাঙ্গালীর কণ্ঠ সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪ পাচ্ছেন কবি, সম্পাদক সৈয়দ এরশাদুল হক মিলন

নুরুন নাহার শ্রাবনী (সাহিত্য ডেস্ক)
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০২৪
  • ২৬৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

৯ম ‘বাঙ্গালীর কণ্ঠ সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪’ এর ‘সম্পাদক’ বিভাগে এবছর পুরস্কার পাচ্ছেন জনপ্রিয় পত্রিকা ‘অকালবোধন’ এর সম্পাদক, কবি ও প্রাবন্ধিক সৈয়দ এরশাদুল হক মিলন।

সৈয়দ এরশাদুল হক মিলন। পুরো নাম: সৈয়দ এ এইচ মো. এরশাদুল হক। ডাক নাম : মিলন। জন্ম: শনিবার, ২৯ ভাদ্র ১৩৮৬ সাল। নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলায় নানাবাড়িতে। বাবা সৈয়দ মো. নাজমুল আহসান। মা : আয়শা আহসান। ভাইবোন : সৈয়দা উম্মে নাফিসা আক্তার, সৈয়দ জামসেদুল হক। একমাত্র সন্তান সৈয়দ অনির্বাণ এরশাদ।

শিক্ষা :

মিলনের শিক্ষাজীবন শুরু হয় ১৯৮৫ সালে নীলফামারী জেলার ডোমার শহীদ স্মৃতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবির সমীরণ নেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও লালবিহারী পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন। ১৯৯৩ সালে তার পরিবার ডোমারে স্থানান্তরিত হয় এবং মিলন ডোমার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হন। এই স্কুলের ছাত্র হিসেবে মিলন ১৯৯৫ সালে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড থেকে বিজ্ঞান বিভাগে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা শেষ করেন। পরে, উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্র হিসেবে ডোমার সরকারি কলেজে ভর্তি হন এবং রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড থেকে বিজ্ঞান বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষা শেষ করেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্যে স্নাতক, রংপুর আইন কলেজে এলএলবিতে ভর্তি হন, কিন্তু নানাবিধ সমস্যার জন্য তিনি তার আইন পড়া চালিয়ে যেতে পারেননি।

একজন কর্মী হিসেবে মিলন :

ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের কর্মী হিসাবে সাংগঠনিক হাতেখড়ি। এরপর ২০০২ সালে, গোলাম মোস্তফা বাউলার নেতৃত্বে একটি সাংস্কৃতিক দলে যোগ দেন। তাদের প্রথম মঞ্চ নাটকের পর, দলটি ১৯শে অক্টোবর ২০০২ সালে ডোমার সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ নামে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে গঠিত হয়। এরপর থেকে  মিলন তার সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে পুরোপুরি নিয়োজিত হন।

শৈশব থেকেই মিলন কবিতা লিখেন এবং কলেজ জীবন থেকেই আবৃত্তি শুরু করেন। ডোমার সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদে মিলন আবৃত্তি শুরু করেন এবং তার সমন্বয়ে সংগঠনটি পালকি নামে একটি সাহিত্য পত্রিকার তিনটি সংখ্যা প্রকাশ করেন।

২০০৪ সালের ১৩ই আগস্ট  মিলন চাকরির সন্ধানে ডোমার থেকে ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকায় চাকুরি খোঁজার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বর, কবি কাজী নজরুল ইসলামের মাজার চত্বর, শাহবাগ ও আজিজ সুপার মার্কেটে ঘুরে বেড়াতেন মিলন। ২০০৪ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটমণ্ডল চত্বরে একদল কবির আড্ডায় যুক্ত হন। ‘শিল্পস্রোত’ নামের সেই আড্ডাটি পরবর্তীতে দেশের জনপ্রিয় সাহিত্য সংগঠন ‘ম্যাজিক লণ্ঠন’ আড্ডা নামে পরিচিতি পায়।

২০০৫ সালে,  মিলন টিএসসিতে আবৃত্তিশিল্পী হিসেবে একটি আবৃত্তি দলে যোগ দেন। তিনি যখন এই গ্রুপের একজন গাইড প্রশিক্ষক ছিলেন, তখন তিনি ‘কবিতাশ্রম’ নামে নিজস্ব সংগঠন শুরু করেন। সংগঠনটি ২০০৭ সালের ২৬শে মার্চে সংগঠিত হয়। কবিতাশ্রম গঠনের পর  মিলন ঢাকায় তার সাংস্কৃতিক আন্দোলন শুরু করেন। ঢাকায় তার প্রাথমিক কর্মকাণ্ডে ছিল গোলাম মোস্তফা বাউলার প্রভাব।

২০১৩ সালে, মিলন একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শাহবাগ আন্দোলনে সরাসরি জড়িত ছিলেন। আন্দোলনের প্রথম দিকে, তিনি ‘আকালবোধন’-এর একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেন, যা সেই আন্দোলনের প্রথম প্রকাশনা ছিল।  মিলন ও তার সহযোদ্ধারা আন্দোলনে দুটি বড় ইভেন্ট আয়োজন করেন। প্রথমটিতে সড়কে মোট ৬৮০০টি মোমবাতি জ্বালিয়ে ইংরেজিতে লেখা হয়েছিল, ‘Hang War Criminals, Ban Jamat-Shibir’। একুশে ফেব্রুয়ারি, তারা রাস্তায় মোট ১৯৫২টি মাটির প্রদীপ জ্বালিয়ে লিখেছিলেন ” Ban Jamat-Shibir “।

২০১১ সালের ৩ আগস্টে, কবিতাশ্রম-এর একটি সাংগঠনিক মুখপত্র হিসাবে ‘অকালবোধন’ প্রকাশিত হতে শুরু করে। প্রতিটি প্রকাশনায় অকালবোধন তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্যকে শাণিত করেছে এবং বাংলা লিটলম্যাগের জগতে তার অবস্থান সুসংহত করেছে। আকালবোধন-এর সম্পাদক ও প্রকাশক হিসাবে  মিলনও তার নিজস্ব দৃষ্টি ও উদ্দেশ্যকে শাণিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এখন তিনি অকালবোধন-এর পরবর্তী রূপকল্প নির্ধারণ করেছেন, সেগুলো হল:

  • রোমান সাম্রাজ্যের বর্তমান রূপের বিশ্লেষণ,
  • ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিবর্তনের বিশ্লেষণ,
  • বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার অসঙ্গতি বিশ্লেষণ।

এখন পর্যন্ত অকালবোধনের ২০টি মুদ্রিত সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৫ সালে ভিন্নচোখ প্রকাশনী থেকে মিলনের একমাত্র কবিতাবই ‘একটি অসমাপ্ত গল্প’ প্রকাশিত হয়।

Facebook Comments Box
Website | + posts

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

মিকি মিডিয়া লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান। © সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় Rudra Amin